মাছ ভাত আর রাস্তার কলের তলায় মাস-বাথ(mass-bath) হলেই কেলকেশিয়ানের এবং তাঁর পাড়ার নেড়ি কেলসিশিয়ানের চলে যায়।
মাল খেয়ে বাথটাবে মুখথুবড়ে পড়ে পয়সাওয়ালারা।মরুক গে।বেল পাকলে কেলকেশিয়ানের কি আর না পাকলে কেলসিশিয়ানেরই বা কি?
ভেবেছিলাম আমার মন্তব্য এতেই শেষ করব কিন্তু জনৈক বন্ধু আপত্তি করলেন । বললেন কেলকেশিয়ান আর বলা যায়না কারণ এখন সব কলকাতান।যথার্থই বললেন।তবে আমিও ভুল বলি নাই ।আজকের কলকাতান এখন নানা রঙে-রূপে ও কার্যকলাপে বিভিন্ন প্রকারের।কয়েকটা শুধু মাত্র বোঝার জন্য নিম্নে প্রস্তুত করছি।এ নিয়ে বিশদ ভাবে লিখব কি না তা ভাবতে হবে।
সাবেকিয়ানায় কলকাতান হল কেলকেশিয়ান।যেমনটা বললাম, সে মাছে-ভাতে ভালই আছে।তার পরনে একটা লুঙ্গি আর হাফ পাঞ্জাবি হলেই হল।পাড়ার রামুর দোকানের দুটাকা ভাড়ের চা আর বিড়ির সুখটানের সাথে কার্লমার্ক্স থেকে লিওনেল মেসি সবই বিশদ ভাবে আলোচনা করে।'জেনারেল নলেজের' বিরাট ভান্ডার।কত জানে কিন্তু এতটুকু গর্ব করেনা।আবার অনেক কিছুই জানেনা তাতে দুঃখও নেই।সে সব সময় ভালই থাকে।
তবে এ ছাড়া আরও আছে।
যেমন,আঁতেলকাতান।এরা হলেন ইংরাজি, হিন্দি ও বাংলার মিশ্রণ বলা আঁতেলরা। হাসজারু বলা যাবে কি না?সুকুমার বাবুর অনুমতি নেওয়া হয় নাই, আর হবেও না।
আছে মাতালকাতান। এরা নর-নারী নির্বিশেষে পাবে বসে মাল খান। বাড়িতে ঝগড়া করেন।কার সাথে করেন?বাংলায় কি বলে জানিনা তবে ইংরাজিতে শুনেছি লিভ-ইন-পার্টনার বলে।এরা আরও কত কি করেন সেটার খোজখবর বড় একটা নেওয়া হয়ে ওঠে নাই তবে অনুমেয়।
হুকোকাতান আবার তারা যারা হুক্কাবারে বসে তামাক ইত্যাদি টানেন।এটা একটা গ্রহান্তরিত গোষ্ঠী।এরা তামাকের সহিত এমন আরও দ্রব্যাদি সেবন করে থাকেন যার সম্বন্ধে যথেষ্ঠ সম্যক ধারণার অভাবে উর্বর মস্তিষ্কের অনুমান করার ক্ষমতার ওপর নির্ভর করাই একমাত্র উপায় মনে করি।
এরকম নব্য-কলকাতান আরও বিভিন্ন রকমের আছেন । সে নিয়ে নাহয় পরে লিখব?
Comments
Post a Comment