Skip to main content

অবসর,আড্ডা আর চন্ডুখোরি গপ্প


অবসর,আড্ডা আর চন্ডুখোরি গপ্প

জীবনটা এভাবেই চলুক ভালই লাগছিল।বাধা দিল কলকাতার মশার আধিক্য।এদিকে জানলাম আমার এক বয়োজ্যেষ্ঠ দাদা জিনি আবার কর্মস্থলে প্রথমে বস ও পরে সহকর্মী হলেন এই মশার বংশবৃদ্ধি ও ফলস্বরূপ কামড়ে তিতিবিরক্ত। সেই দাদা সমীপেষু :-

মিষ্টির প্রভাব কতটা তিক্ত বোধহয় সবাই জানেন।আপনিও।তা জ্ঞান যে মানুষকে অজ্ঞান করে সেটা আমি জানি।আপনি জানেন না বলে বয়োজ্যেষ্ঠ আপনার কাছে আর কানমলা খাবনা।খাবনা মিষ্টিও।প্রথমেই বলে দি , কানমলা না খাওয়ার দৃঢ়চেত ধৃষ্ঠ-উচ্চারণ করতেই হচ্ছে। এই প্রত্যয় প্রকাশের জন্য ক্ষমা প্রার্থণা করে রখলাম।ক্ষমা করবেন কি না আপনি কতটা উদার তার ওপর নির্ভরশীল।তবে আবার জ্ঞানীজনেরা বলেন, কখনো কখনো  নিরূপায় হলে ক্ষমাই একমাত্র উপায়।তাই ক্ষমা পাওয়া নিয়ে চিন্তিত নাই বা হলাম।

এই যে সেদিন বললাম সহজেই ধৈর্য্য হারাবেন না।আমি বেশি বলি ও লিখি।এটা বিগত আঠান্ন বছরের সংরক্ষিত বদ অভ্যাস।

তা প্রথমেই এই নিকৃষ্ট বক্তার কানমলায় এত অনিহা কেন নাহয় সেটাই জানাই, মিষ্টি নিয়ে তারপর।প্রথমেই এটা জানলে ক্ষমা করা যায়না জেনেও তাই ই করবেন।

এই যে মধ্য বয়সের আমাকে দেখছেন,আমি কোনোদিন বালকও ছিলাম। আর সেই বাল্যকালে ছিলাম দুর্দান্ত বেয়াড়া।কতটা বেয়াড় সেটা নিয়ে বিশদ আজ নাই বা জানালাম।তা বেয়াড়া-আমি প্রতিনিয়ত বিচারাধীন হতাম।শাস্তিও পেতাম। তাই পাঠশালার শিক্ষক,দোর্দন্ড প্রতাপ পিতা ও আমার হাতে রাম পেদানি খাওয়া বাল্যকালের শত্রুগণের পিতা-মাতার হাতে প্রচুর কানমলা খেয়ে কানের স্বাস্থ্য দুর্দান্ত রকমের হয়ে যায়।তখন অনেকেই সুস্বাস্থ্যের অধিকারী আমার কর্ণদ্বয়ের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে কারণে অকারণে কান মলতে আরম্ভ করেন।প্রায়শ মলবার জন্য লোভনীয় কান পেয়ে যেখানে আমার বাঁদরামির জন্য আড়ংধোলাই প্রাপ্য, সেখানেও কানমলাই শাস্তি নিদান হত।তাতে কানের স্বাস্থ্য উপর্যুপরি ভালহয়ে চলল।পরবর্তিতে কর্মক্ষত্রে আমার বসেরা(কানের সেই গুণগ্রাহীদের মধ্যে একসময়ে আপনিও একজন ছিলেন) এবং অনেক সময় আরও অনেকেই এই কানদুটোর প্রতি নৃসংস-রসে শিক্ত হয়ে তাদের স্বাস্থ্য উন্নত হতে উন্নততর করে থাকেন।আজ কর্ম হতে অবসর প্রাপ্ত বা বিতাড়িত যেরকমটা ইচ্ছা বসিয় নিন।বয়সও আঠান্ন।কানমলবার সুযোগ কেউ পায়না তাই আপনাকেও সঙ্গত কারণ থাকলেও দেব না।
কান তত্ব গেল, রইল মিষ্টি।এবার মিষ্টিতে আসি।অধিক মিষ্টি খেলে অনেকে ভাবেন গানের গলাটাও মিষ্টি হবে।মায়েরা শিশু দিগকে বেশি করে পুলি-পিঠে ও পায়েশ খাওয়ান, স্ভাবটা মিষ্টি হবে এবং হবে কন্যার মুখশ্রীও এই ভেবে।তাই ভাবলেন মিষ্টির কত উপকারিতা।ভালই ভাবলেন। আরে সেখানেই আপনার বিপদ।বিপদ এই কারণে যে আপনার রুধিরে মিষ্টিযোগে মিষ্টত্ব এতটাই লোভনীয় হয়েছে যে আজ মশককূল ,যে আনন্দে আপনি অধিকাধিক মিষ্টি সেবন করে চলেছেন ঠিক সেই আনন্দেই ততধিক,আপনার মিষ্টি লহু পানে ব্যস্ত ও ন্যস্ত হয়ে পড়েছে।
"মেরেছে হাঁড়ির কানা তা বলে কি প্রেম দেব না?"

মিষ্টি খেয়ে যান আর খেয়ে যান মশার কামড়ও।অথবা কি করবেন,আপনি এত বড় কর্তা আমার বলে দেবার অবকাশ রাখে কি?

Comments

Popular posts from this blog

सीख

------ आहिस्ता आहिस्ता चलती रही घड़ी, घन्टे के कांटे में आंखें रुकी रुकी। होश में न थे हम जाने कब और कैसे, चहल कदमी से श्याम ढल चुकी । निकल चुका था जनाजा मौकों का बेआब्रू हो गयीं नाकामियां, रोने से भी मोहताज हो गये हम तब, हंसने लगीं  सारी बर्बादियां। अब गुब्बारे सारे छूट गये आसमां पर, देखा अरमानों का उड़जाना। नजर उतार रख हांथ दिलपर अपने, बन्द आंखें पड़ रहा पछताना। ऐ किस्मत के रचनाकारों सुनलो आज, किस्मत जीती बाजी की चाल नहीं; सहनी पड़ती है बहुत  निरंतर, जूझो,मौका खोकर पछताओ नहीं।   
সাহিত্যের সমৃদ্ধি 💪💪💪💪💪💪 কৌশিকী অমাবস্যা। দেবীর কি এই কৌশিকী রূপ?মহাদেব পার্বতীকে কালিকা ডাকতেন।শুম্ভ নিশুম্ভ বধে মানস সরোবরে স্নান করে বিশেষ পরাক্রমের অধিকারিণী রূপেই কালিকা কৌশিকী অর্থাত কৃষ্ণ বর্ণা বীরাঙ্গনা হলেন।এটা শাস্ত্র সিদ্ধ মত।আমি নিতান্তই পাঠক এক গল্প পড়ে জেনেছি।ঠিক না বেঠিক অন্যান্য অনেক তথ্যের মতই এটাও আর চর্চা না করেই মেনে নিয়েছি।আমার এতেই দিব্যি কেটে যাচ্ছে। কৌশিকী অমাবস্যা এই তিথিতে পালন হয়। কারন সুধা ছাড়া তন্ত্র মতে কৌশিকী অমাবস্যায় পূজা নাকি সিদ্ধ নয় অতএব কৌশিকী সুধা অনিবার্য।এই সুধা পানে ভগবত প্রাপ্তি হবেই। একদম গ্যারান্টি।বিশ্বাস না হলে পরীক্ষা প্রার্থনীয়।আমি আবশ্য শোনা মাত্রই বিশ্বাস করে নিয়েছি।আমার মত অলসেরা সহজেই বিশ্বাস করে নেয়।আপনি কেন তা করবেন।মোটেই করবেন না।যাচাই করুন আর ফল উপভোগ করুন। কারন সুধা সেবনে ভক্তিরসের চুড়ান্ত প্রাপ্তি একটা বিশাল ফল লাভ।তবে আরও আছে। কারনসুধা সেবন যোগে  অনেকেই বেহুঁশ হয়ে অন্যের কাঁধে চেপে স্থান ত্যাগ করার মর্যাদা পান। কেহ কেহ আবার সবার অলক্ষে রস সিক্ত হয়ে নর্দমায় অতিসিক্ত হয়ে মহানন্দ দশায় নর্দমাজলের গুণে ও তার...
 সুখের জীবন , যেন মৃগ মরিচিকা : উদ্ভাসিত কিন্তু দেয়না ধরা। যেমন, বসন্তের রোদন : ঝরাপাতায় দেয় হারানো স বুজের সুখ স্মৃতি। পত ঙ্গের উড্ডয়ন, ডানামেলার উচ্ছাসেই লেখা তার বিধির লেখন : পতনের সুচনা,সমাপ্ত জীবন। নিশ্চত করে শেষ, বুঝিবা সুচনা হয় সব ভালো র। শুধু ক্ষণিকের জলোচ্ছাস : সমুদ্রের বুকেই পুনরায় সমাপন। জীবনের পুঁথী: অসঙ্খ সম্ভাবনার লেখন। সমাপ্তি শুধু একবার; সমাপ্তিতেই কেন্দ্রীভূত জীবন।