Skip to main content

হাসতে হলেও ভাবতে হবে?


রম্যরচনাগুলিতে কয়েকরকমের হাসির বর্ণনা পাওয়া যায়।

ফিচিৎ হাসি।মুচকির একটু ভিন্নাকৃতি মাত্র কিন্তু ইঙ্গিত সুদূরপ্রসারী।যারা কৈশররাগে রঙ্গেছেন,তাঁরা ফিচিৎ হাসির তাৎপর্য্য অনুধাবন করবেন।কৈশররাগ বঞ্চিত যারা, তাঁরা ভয়ংকর রকমের বঞ্চনার শিকার।ফিচিৎ হাসি কতটা দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে এবং সে প্রভাব কত দ্রুত কৈশর হতে যৌবনে পাড়ি দেওয়া প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে সেটা কৈশররাগ না আসলে বোঝা যায় না।

আকর্ণবিস্তৃত হাসি আবার অনাবিল আনন্দের হাসি হতে ভিন্ন।এ হাসি সাধারণত পূর্ণবয়স্কের অতিনির্বুদ্ধিতা জনিত হাস্যস্পদ কান্ডের হাসি।এ হাসির অভিজ্ঞতা নাই, মানবকূলে এহেন ব্যক্তি দুর্লভ।স্থান কাল পাত্র ও পরিবেষ বিশেষে কখনো কখনো এ হাসি হেসে স্বীকার করতে হয় আমি কতটা বোকা এবং ক্ষমাপ্রার্থী।

দোদোমা হাসি আবার বড়ই ফাঁকা ও উচ্চগ্রামের কুটনৈতি ও এক রকমের নঞর্থক অভিব্যক্তি।দুর্ভাগ্যক্রমে আমাকে বহুবার  এ হাসির প্রপক হতে হয়েছে এবং আরও হব একথা স্বীকার না করে উপায় নাই।
হাসির কারণ আবার কৌতুক রসাসিক্তের অভিধানে তিন রকম।

বুঝে,ভুল বুঝে আর অন্যকে হাসতে দেখে।

বাংলা ও হিন্দি সিনেমা দেখা কালীন আমার বুঝে হাসা হয়ে থাকে।

ইংরাজি সিনেমায় আবার সবরকম হাসি'ই প্রয়োগ করতে হয় যাতে সিনেমা দেখার আনন্দে কোনোমতেই ধরা পড়ার চোনা না পড়ে যায়।

স্বাস্থ্যের জন্য জোর খাটিয়ে হাসার দুর্ভাগ্য আমার হয় নাই কারণ পরমশক্তিমানের কৃপায় এখন ও ভাল আছি।

Comments

Popular posts from this blog

सीख

------ आहिस्ता आहिस्ता चलती रही घड़ी, घन्टे के कांटे में आंखें रुकी रुकी। होश में न थे हम जाने कब और कैसे, चहल कदमी से श्याम ढल चुकी । निकल चुका था जनाजा मौकों का बेआब्रू हो गयीं नाकामियां, रोने से भी मोहताज हो गये हम तब, हंसने लगीं  सारी बर्बादियां। अब गुब्बारे सारे छूट गये आसमां पर, देखा अरमानों का उड़जाना। नजर उतार रख हांथ दिलपर अपने, बन्द आंखें पड़ रहा पछताना। ऐ किस्मत के रचनाकारों सुनलो आज, किस्मत जीती बाजी की चाल नहीं; सहनी पड़ती है बहुत  निरंतर, जूझो,मौका खोकर पछताओ नहीं।   
সাহিত্যের সমৃদ্ধি 💪💪💪💪💪💪 কৌশিকী অমাবস্যা। দেবীর কি এই কৌশিকী রূপ?মহাদেব পার্বতীকে কালিকা ডাকতেন।শুম্ভ নিশুম্ভ বধে মানস সরোবরে স্নান করে বিশেষ পরাক্রমের অধিকারিণী রূপেই কালিকা কৌশিকী অর্থাত কৃষ্ণ বর্ণা বীরাঙ্গনা হলেন।এটা শাস্ত্র সিদ্ধ মত।আমি নিতান্তই পাঠক এক গল্প পড়ে জেনেছি।ঠিক না বেঠিক অন্যান্য অনেক তথ্যের মতই এটাও আর চর্চা না করেই মেনে নিয়েছি।আমার এতেই দিব্যি কেটে যাচ্ছে। কৌশিকী অমাবস্যা এই তিথিতে পালন হয়। কারন সুধা ছাড়া তন্ত্র মতে কৌশিকী অমাবস্যায় পূজা নাকি সিদ্ধ নয় অতএব কৌশিকী সুধা অনিবার্য।এই সুধা পানে ভগবত প্রাপ্তি হবেই। একদম গ্যারান্টি।বিশ্বাস না হলে পরীক্ষা প্রার্থনীয়।আমি আবশ্য শোনা মাত্রই বিশ্বাস করে নিয়েছি।আমার মত অলসেরা সহজেই বিশ্বাস করে নেয়।আপনি কেন তা করবেন।মোটেই করবেন না।যাচাই করুন আর ফল উপভোগ করুন। কারন সুধা সেবনে ভক্তিরসের চুড়ান্ত প্রাপ্তি একটা বিশাল ফল লাভ।তবে আরও আছে। কারনসুধা সেবন যোগে  অনেকেই বেহুঁশ হয়ে অন্যের কাঁধে চেপে স্থান ত্যাগ করার মর্যাদা পান। কেহ কেহ আবার সবার অলক্ষে রস সিক্ত হয়ে নর্দমায় অতিসিক্ত হয়ে মহানন্দ দশায় নর্দমাজলের গুণে ও তার...
 সুখের জীবন , যেন মৃগ মরিচিকা : উদ্ভাসিত কিন্তু দেয়না ধরা। যেমন, বসন্তের রোদন : ঝরাপাতায় দেয় হারানো স বুজের সুখ স্মৃতি। পত ঙ্গের উড্ডয়ন, ডানামেলার উচ্ছাসেই লেখা তার বিধির লেখন : পতনের সুচনা,সমাপ্ত জীবন। নিশ্চত করে শেষ, বুঝিবা সুচনা হয় সব ভালো র। শুধু ক্ষণিকের জলোচ্ছাস : সমুদ্রের বুকেই পুনরায় সমাপন। জীবনের পুঁথী: অসঙ্খ সম্ভাবনার লেখন। সমাপ্তি শুধু একবার; সমাপ্তিতেই কেন্দ্রীভূত জীবন।