সাহিত্যের সমৃদ্ধি
💪💪💪💪💪💪
কৌশিকী অমাবস্যা।
দেবীর কি এই কৌশিকী রূপ?মহাদেব পার্বতীকে কালিকা ডাকতেন।শুম্ভ নিশুম্ভ বধে মানস সরোবরে স্নান করে বিশেষ পরাক্রমের অধিকারিণী রূপেই কালিকা কৌশিকী অর্থাত কৃষ্ণ বর্ণা বীরাঙ্গনা হলেন।এটা শাস্ত্র সিদ্ধ মত।আমি নিতান্তই পাঠক এক গল্প পড়ে জেনেছি।ঠিক না বেঠিক অন্যান্য অনেক তথ্যের মতই এটাও আর চর্চা না করেই মেনে নিয়েছি।আমার এতেই দিব্যি কেটে যাচ্ছে।
কৌশিকী অমাবস্যা এই তিথিতে পালন হয়।
কারন সুধা ছাড়া তন্ত্র মতে কৌশিকী অমাবস্যায় পূজা নাকি সিদ্ধ নয় অতএব কৌশিকী সুধা অনিবার্য।এই সুধা পানে ভগবত প্রাপ্তি হবেই। একদম গ্যারান্টি।বিশ্বাস না হলে পরীক্ষা প্রার্থনীয়।আমি আবশ্য শোনা মাত্রই বিশ্বাস করে নিয়েছি।আমার মত অলসেরা সহজেই বিশ্বাস করে নেয়।আপনি কেন তা করবেন।মোটেই করবেন না।যাচাই করুন আর ফল উপভোগ করুন।
কারন সুধা সেবনে ভক্তিরসের চুড়ান্ত প্রাপ্তি একটা বিশাল ফল লাভ।তবে আরও আছে।
কারনসুধা সেবন যোগে অনেকেই বেহুঁশ হয়ে অন্যের কাঁধে চেপে স্থান ত্যাগ করার মর্যাদা পান।
কেহ কেহ আবার সবার অলক্ষে রস সিক্ত হয়ে নর্দমায় অতিসিক্ত হয়ে মহানন্দ দশায় নর্দমাজলের গুণে ও তার অবশ্যম্ভাবি প্রভাবে পাঁকের কৌশিকী রঙ্গে কৌশিকাকৃতি হয়ে কৌশিকী অমাবস্যার বাকি রাত্রিটা দেবীর ক্রোড়ে ভক্তি ভরে কাটান।
কেহ বা সকল মোহ ত্যাগ করে দিগম্বর হয়ে কুশি মুনির শরণে চলে যান। এই অবস্থায় সমাজের অসুরেরা বিস্তর অক্রমণাত্মক হয়ে প্রাহর করেন।কষ্ট সাধ্য তপস্যা সফল হয়।
কখনো বা সহজেই সশরীরে স্বর্গে আরোহিত হওয়া যায়।সেটা হলে আর কথা হবে না, সকল পাওয়ার এক পাওয়া!
কৌশিকী অমাবশ্যা বড়ই সুধাময় এক মধু যোগ।
জানতাম প্রেমে আর যুদ্ধে সবই গ্রহণযোগ্যতা পায়।এবার জানলাম কারন সুধা যার আরেক চলতি নাম 'টান্টু' , ভক্তিতে গ্রহণযোগ্যতা পায়। যুদ্ধ এবং প্রেমের ভক্তিতে গ্রহণযোগ্যতা বহু বছর আগেই জেনেছিলাম।
সব মিলে যেটা দাঁড়াল সেটা হল আমার নতুন উপলব্ধি:
প্রেম, যুদ্ধ ও 'টান্টু' ভক্তিযোগে এক সঙ্গে গ্রহণযোগ্যতা পায়।
'টান্টু'।
শব্দটা আপনাদের অপরিচিত।
আমার নয়।
এর ব্যুৎপত্তির আমি একজন ভাগ্যবান সাক্ষী।
এহেন শব্দ প্রথম প্রসব হয় এক মধু প্রেমীর মধুপূর্ণাবস্থায় তাঁর মধুশ্রী কন্ঠ হতে।
সে এক অদ্ভুত ঘটনা।
মহান এক মধুখোর, বাংলা ভাষাকে নতুন শব্দের ব্যুৎপত্তির মাধ্যমে সমৃদ্ধ করেছেন এটা জানলে মধু সেবকরা সেলিব্রিটি স্টেটাস পাবেন। আর,
যত মধু খাবেন তত উদ্বুদ্ধ হবেন। বাংলা কে আরও নতুন নতুন শব্দ দানে সমৃদ্ধ করতে পারবেন।এটা সাহিত্যের উন্মেষের বিশাল এক যোগাযোগ সৃষ্টি করে।
মধু , মানে 'টান্টু' বড়ই মাহাত্যপূর্ণ দ্রব্য।
অন্তত সাহিত্যিকরা এটা স্বীকার পাবেন আশা করা যায়।সেই কারণেই ফেসবুকে এটা উপস্থাপনা করা।
সাহিত্যের স্বার্থে 'টান্টু' কে আরও প্রচার ও প্রসার দেওয়া হো'ক দাবি রাখলাম।
আমি আমার কর্তব্য করলাম।আপনি আপনারটা বুঝে নিন।
যেটা বলছিলাম সেটা হলো, মধুখেয়ে মধুসাগরে নিমজ্জিত প্রাণ এক মহান বক্তৃতা বাগীশের মুখে 'টান্টু' শব্দের মহান ব্যুৎপত্তির রোচক গল্প।
সেটা ১৯৮৭ র এপ্রিলের কোনো এক রাত্রীর ঘটনা।আমরা জনাকয়েক মেডিক্যাল রিপ্রেসেন্টেটিভরা আরামবাগে গৌরহাটি মোড়ের একটা WBMSRU-র গেস্ট হাউসের খোলা যায়গায় গৃষ্মের নিশিকালীন আড্ডায় মশগুল।আমরা যে যার মত বিভিন্ন জায়গায় ব্যাবসার জন্য সারদিন খাটাখাটনির পর রাত্রের খাওয়া দাওয়া শেরে আড্ডায় জমেছি।এমন সময় জনৈক সনাম ধন্য এক ডাক্তারবাবু আকন্ঠ সুধা সিক্ত হয়ে গান গাইতে গাইতে চেম্বার শেষ করে মধুশালা হয়ে গৃহে গমন করছেন।
আমাদের মধ্যে একজন কিঞ্চৎ উৎসাহিত বোধ করলো।
- কিরে ডাক্তার, ভালই টেনেছিস?
ডাক্তার উচ্চস্বরে প্রতিবাদ করলেন।
-কে বলেছে?
সামনে আয়, কে?
বন্ধু আরও উৎসাহ পেল।
- কে রে মাল টেনেছিস? ভালই টেনেছিস।
বলেই ডুব।
ডাক্তার উত্তেজিত হয়ে বলেলেন
- কে বলেছে আমি...আমি ' টান্টু' খেয়েছি?
বেশ করেছি 'টান্টু' খেয়েছি।
'টান্টু' খেয়েছি, নিজের পয়সায় খেয়েছি।আমি কি তোর বাআআপেরররর পয়সসসায় 'টান্টু' খেয়ছি?
সাহিত্য সমৃদ্ধতর রূপে প্রকাশ পেল।
💪💪💪💪💪💪
কৌশিকী অমাবস্যা।
দেবীর কি এই কৌশিকী রূপ?মহাদেব পার্বতীকে কালিকা ডাকতেন।শুম্ভ নিশুম্ভ বধে মানস সরোবরে স্নান করে বিশেষ পরাক্রমের অধিকারিণী রূপেই কালিকা কৌশিকী অর্থাত কৃষ্ণ বর্ণা বীরাঙ্গনা হলেন।এটা শাস্ত্র সিদ্ধ মত।আমি নিতান্তই পাঠক এক গল্প পড়ে জেনেছি।ঠিক না বেঠিক অন্যান্য অনেক তথ্যের মতই এটাও আর চর্চা না করেই মেনে নিয়েছি।আমার এতেই দিব্যি কেটে যাচ্ছে।
কৌশিকী অমাবস্যা এই তিথিতে পালন হয়।
কারন সুধা ছাড়া তন্ত্র মতে কৌশিকী অমাবস্যায় পূজা নাকি সিদ্ধ নয় অতএব কৌশিকী সুধা অনিবার্য।এই সুধা পানে ভগবত প্রাপ্তি হবেই। একদম গ্যারান্টি।বিশ্বাস না হলে পরীক্ষা প্রার্থনীয়।আমি আবশ্য শোনা মাত্রই বিশ্বাস করে নিয়েছি।আমার মত অলসেরা সহজেই বিশ্বাস করে নেয়।আপনি কেন তা করবেন।মোটেই করবেন না।যাচাই করুন আর ফল উপভোগ করুন।
কারন সুধা সেবনে ভক্তিরসের চুড়ান্ত প্রাপ্তি একটা বিশাল ফল লাভ।তবে আরও আছে।
কারনসুধা সেবন যোগে অনেকেই বেহুঁশ হয়ে অন্যের কাঁধে চেপে স্থান ত্যাগ করার মর্যাদা পান।
কেহ কেহ আবার সবার অলক্ষে রস সিক্ত হয়ে নর্দমায় অতিসিক্ত হয়ে মহানন্দ দশায় নর্দমাজলের গুণে ও তার অবশ্যম্ভাবি প্রভাবে পাঁকের কৌশিকী রঙ্গে কৌশিকাকৃতি হয়ে কৌশিকী অমাবস্যার বাকি রাত্রিটা দেবীর ক্রোড়ে ভক্তি ভরে কাটান।
কেহ বা সকল মোহ ত্যাগ করে দিগম্বর হয়ে কুশি মুনির শরণে চলে যান। এই অবস্থায় সমাজের অসুরেরা বিস্তর অক্রমণাত্মক হয়ে প্রাহর করেন।কষ্ট সাধ্য তপস্যা সফল হয়।
কখনো বা সহজেই সশরীরে স্বর্গে আরোহিত হওয়া যায়।সেটা হলে আর কথা হবে না, সকল পাওয়ার এক পাওয়া!
কৌশিকী অমাবশ্যা বড়ই সুধাময় এক মধু যোগ।
জানতাম প্রেমে আর যুদ্ধে সবই গ্রহণযোগ্যতা পায়।এবার জানলাম কারন সুধা যার আরেক চলতি নাম 'টান্টু' , ভক্তিতে গ্রহণযোগ্যতা পায়। যুদ্ধ এবং প্রেমের ভক্তিতে গ্রহণযোগ্যতা বহু বছর আগেই জেনেছিলাম।
সব মিলে যেটা দাঁড়াল সেটা হল আমার নতুন উপলব্ধি:
প্রেম, যুদ্ধ ও 'টান্টু' ভক্তিযোগে এক সঙ্গে গ্রহণযোগ্যতা পায়।
'টান্টু'।
শব্দটা আপনাদের অপরিচিত।
আমার নয়।
এর ব্যুৎপত্তির আমি একজন ভাগ্যবান সাক্ষী।
এহেন শব্দ প্রথম প্রসব হয় এক মধু প্রেমীর মধুপূর্ণাবস্থায় তাঁর মধুশ্রী কন্ঠ হতে।
সে এক অদ্ভুত ঘটনা।
মহান এক মধুখোর, বাংলা ভাষাকে নতুন শব্দের ব্যুৎপত্তির মাধ্যমে সমৃদ্ধ করেছেন এটা জানলে মধু সেবকরা সেলিব্রিটি স্টেটাস পাবেন। আর,
যত মধু খাবেন তত উদ্বুদ্ধ হবেন। বাংলা কে আরও নতুন নতুন শব্দ দানে সমৃদ্ধ করতে পারবেন।এটা সাহিত্যের উন্মেষের বিশাল এক যোগাযোগ সৃষ্টি করে।
মধু , মানে 'টান্টু' বড়ই মাহাত্যপূর্ণ দ্রব্য।
অন্তত সাহিত্যিকরা এটা স্বীকার পাবেন আশা করা যায়।সেই কারণেই ফেসবুকে এটা উপস্থাপনা করা।
সাহিত্যের স্বার্থে 'টান্টু' কে আরও প্রচার ও প্রসার দেওয়া হো'ক দাবি রাখলাম।
আমি আমার কর্তব্য করলাম।আপনি আপনারটা বুঝে নিন।
যেটা বলছিলাম সেটা হলো, মধুখেয়ে মধুসাগরে নিমজ্জিত প্রাণ এক মহান বক্তৃতা বাগীশের মুখে 'টান্টু' শব্দের মহান ব্যুৎপত্তির রোচক গল্প।
সেটা ১৯৮৭ র এপ্রিলের কোনো এক রাত্রীর ঘটনা।আমরা জনাকয়েক মেডিক্যাল রিপ্রেসেন্টেটিভরা আরামবাগে গৌরহাটি মোড়ের একটা WBMSRU-র গেস্ট হাউসের খোলা যায়গায় গৃষ্মের নিশিকালীন আড্ডায় মশগুল।আমরা যে যার মত বিভিন্ন জায়গায় ব্যাবসার জন্য সারদিন খাটাখাটনির পর রাত্রের খাওয়া দাওয়া শেরে আড্ডায় জমেছি।এমন সময় জনৈক সনাম ধন্য এক ডাক্তারবাবু আকন্ঠ সুধা সিক্ত হয়ে গান গাইতে গাইতে চেম্বার শেষ করে মধুশালা হয়ে গৃহে গমন করছেন।
আমাদের মধ্যে একজন কিঞ্চৎ উৎসাহিত বোধ করলো।
- কিরে ডাক্তার, ভালই টেনেছিস?
ডাক্তার উচ্চস্বরে প্রতিবাদ করলেন।
-কে বলেছে?
সামনে আয়, কে?
বন্ধু আরও উৎসাহ পেল।
- কে রে মাল টেনেছিস? ভালই টেনেছিস।
বলেই ডুব।
ডাক্তার উত্তেজিত হয়ে বলেলেন
- কে বলেছে আমি...আমি ' টান্টু' খেয়েছি?
বেশ করেছি 'টান্টু' খেয়েছি।
'টান্টু' খেয়েছি, নিজের পয়সায় খেয়েছি।আমি কি তোর বাআআপেরররর পয়সসসায় 'টান্টু' খেয়ছি?
সাহিত্য সমৃদ্ধতর রূপে প্রকাশ পেল।
Comments
Post a Comment