Skip to main content

যাত্রা শেষে

আসে যৌবন, নিয়ে উদ্যম অফুরান ;
জীবন-সংগ্রামে ব্যয় হয়ে যায় শক্তির সিংহভাগ।
ব্যস্ততায় কেটে যায় নিয়ে বন্ধু,মা,বাবা,ভাই,বোন,
আর নিয়ে প্রেম।
দিনগুলো যায়
সংসার, সংস্কার ,সংস্কৃতি রক্ষার চরম ব্যস্ততায়-
ক্রমান্বয়ে জীবনের স্ফুলিঙ্গ সব শূন্যে মিশেযায়।
জমে ওঠে মনের অনধিগম্য কোনো এক কোণে-
স্মৃতির জীবাশ্ম।
ন্যুব্জ দেহ বয় বয়সের ভার,শূন্য হয়
সামর্থ্যের কোষাগার।
বৃদ্ধি পায় সময়ের অনিঃশেষ সঞ্চয়।
দিকে-দিকে চলতে থাকে জীবনের দৌড়
ছুটছে সবাই, শিশু হতে প্রৌঢ়-
নেই কারও ক্ষণিকের সময়।
দিন শেষ হয়ে আসে কালের পঞ্জিকায়,
একে একে বিদায় নিয়ে চলে বন্ধু,আপনজন-
বিদায় নেয় জীবনসঙ্গীও।
একাকীত্ব ধীর পদে এদিক সেদিক খুঁজেবেড়ায়,
যদি কারো দেখা পাওয়া যায়,
দেয় যদি কেউ একটু সময়।
যদি দেখা কারো পায়, সহসা সে হাঁটা দেয় দ্রুত পায়ে।
দেখে বয়স-ভার, বুঝি ভয় হয় তার-
কত কথা শুনতে হয়,না জানি কতক্ষণ,
রাখতে একাকী মন।
জীবনের অস্তাচলে সব শেষ হয়ে চলে।
চলে যায় কাছের মানুষ,বন্ধু,ব্যস্ততা,সব।
দূরে সরে যায় সমাজ; সমাপ্ত হয় সকলের
সকল প্রত্যাশা।
পড়ে থাকে দেহ মনের অধিকারী এক নিস্পৃহ মৃত্তিকাকৃতি।
স্থবির দশায় পথচেয়ে থাকে অতি দীনতায়:
কখন আসবে নির্বাণ?

দূর গগনে,বেলশেষে,ক্রমান্বয়ে ম্লান হতে হতে
অস্তযায় সূর্য,
হারিয়ে যায় দিগন্তের পারে-
ক্রমশ নেমে আসে অমাবস্যার গভীর যবনিকা।

শান্তির প্রতীক্ষায় সমাধিস্থ,
সেই এক অনন্তের ধ্যানে।
সহসা বিঘ্ন ঘটে যায়,
নিবিড় আঁধারে, সান্দ্র নিস্তব্ধতা ভেদী ঝিল্লিরবে।

Comments

Popular posts from this blog

सीख

------ आहिस्ता आहिस्ता चलती रही घड़ी, घन्टे के कांटे में आंखें रुकी रुकी। होश में न थे हम जाने कब और कैसे, चहल कदमी से श्याम ढल चुकी । निकल चुका था जनाजा मौकों का बेआब्रू हो गयीं नाकामियां, रोने से भी मोहताज हो गये हम तब, हंसने लगीं  सारी बर्बादियां। अब गुब्बारे सारे छूट गये आसमां पर, देखा अरमानों का उड़जाना। नजर उतार रख हांथ दिलपर अपने, बन्द आंखें पड़ रहा पछताना। ऐ किस्मत के रचनाकारों सुनलो आज, किस्मत जीती बाजी की चाल नहीं; सहनी पड़ती है बहुत  निरंतर, जूझो,मौका खोकर पछताओ नहीं।   
সাহিত্যের সমৃদ্ধি 💪💪💪💪💪💪 কৌশিকী অমাবস্যা। দেবীর কি এই কৌশিকী রূপ?মহাদেব পার্বতীকে কালিকা ডাকতেন।শুম্ভ নিশুম্ভ বধে মানস সরোবরে স্নান করে বিশেষ পরাক্রমের অধিকারিণী রূপেই কালিকা কৌশিকী অর্থাত কৃষ্ণ বর্ণা বীরাঙ্গনা হলেন।এটা শাস্ত্র সিদ্ধ মত।আমি নিতান্তই পাঠক এক গল্প পড়ে জেনেছি।ঠিক না বেঠিক অন্যান্য অনেক তথ্যের মতই এটাও আর চর্চা না করেই মেনে নিয়েছি।আমার এতেই দিব্যি কেটে যাচ্ছে। কৌশিকী অমাবস্যা এই তিথিতে পালন হয়। কারন সুধা ছাড়া তন্ত্র মতে কৌশিকী অমাবস্যায় পূজা নাকি সিদ্ধ নয় অতএব কৌশিকী সুধা অনিবার্য।এই সুধা পানে ভগবত প্রাপ্তি হবেই। একদম গ্যারান্টি।বিশ্বাস না হলে পরীক্ষা প্রার্থনীয়।আমি আবশ্য শোনা মাত্রই বিশ্বাস করে নিয়েছি।আমার মত অলসেরা সহজেই বিশ্বাস করে নেয়।আপনি কেন তা করবেন।মোটেই করবেন না।যাচাই করুন আর ফল উপভোগ করুন। কারন সুধা সেবনে ভক্তিরসের চুড়ান্ত প্রাপ্তি একটা বিশাল ফল লাভ।তবে আরও আছে। কারনসুধা সেবন যোগে  অনেকেই বেহুঁশ হয়ে অন্যের কাঁধে চেপে স্থান ত্যাগ করার মর্যাদা পান। কেহ কেহ আবার সবার অলক্ষে রস সিক্ত হয়ে নর্দমায় অতিসিক্ত হয়ে মহানন্দ দশায় নর্দমাজলের গুণে ও তার...
 সুখের জীবন , যেন মৃগ মরিচিকা : উদ্ভাসিত কিন্তু দেয়না ধরা। যেমন, বসন্তের রোদন : ঝরাপাতায় দেয় হারানো স বুজের সুখ স্মৃতি। পত ঙ্গের উড্ডয়ন, ডানামেলার উচ্ছাসেই লেখা তার বিধির লেখন : পতনের সুচনা,সমাপ্ত জীবন। নিশ্চত করে শেষ, বুঝিবা সুচনা হয় সব ভালো র। শুধু ক্ষণিকের জলোচ্ছাস : সমুদ্রের বুকেই পুনরায় সমাপন। জীবনের পুঁথী: অসঙ্খ সম্ভাবনার লেখন। সমাপ্তি শুধু একবার; সমাপ্তিতেই কেন্দ্রীভূত জীবন।