মহুয়া গাছটা
সেই শীতের সকালে যখন
সূর্য দিল উঁকি,
পাখিরা করল তাদের প্রথম
কুজনে কুহুতানে ডাকাডাকি।
সূর্য দিল উঁকি,
পাখিরা করল তাদের প্রথম
কুজনে কুহুতানে ডাকাডাকি।
ঠিক তখনি আমার ভোর হল
খুলে উত্তরের দুয়ার,
দেখি শিশিরে ভেজান ঘাসে
ছড়ানো মুক্তার বাহার!
খুলে উত্তরের দুয়ার,
দেখি শিশিরে ভেজান ঘাসে
ছড়ানো মুক্তার বাহার!
করে কুহেলিকা ভেদ অনতিদূরে
দেখি মহুয়ার গাছ,
অনাবিল আনন্দে এই প্রাতে
ধরেছে মহুয়ার সাজ!
দেখি মহুয়ার গাছ,
অনাবিল আনন্দে এই প্রাতে
ধরেছে মহুয়ার সাজ!
মহুয়ার স্নিগ্ধ স্বেত বর্ণে মেশা
একি মাতানো আল্হাদ,
দিয়েছে ছড়ায়ে বাহারে তলায়
মহুয়া ফুলের প্রসাদ!
একি মাতানো আল্হাদ,
দিয়েছে ছড়ায়ে বাহারে তলায়
মহুয়া ফুলের প্রসাদ!
শিশিরে ভেজা তৃণের মাথায়
তখন আরেক সাজ,
করে প্রকৃতি তাকে মাতৃ-স্নেহে দান
অপূর্ব মণিমুক্তার কাজ!
তখন আরেক সাজ,
করে প্রকৃতি তাকে মাতৃ-স্নেহে দান
অপূর্ব মণিমুক্তার কাজ!
কে যেন তার শিল্পী মনে
করে সুন্দর আয়োজন।
কেন তবে মানুষ করে তা ধ্বংস,
কি তার প্রয়োজন?
করে সুন্দর আয়োজন।
কেন তবে মানুষ করে তা ধ্বংস,
কি তার প্রয়োজন?
স্থানটা মধ্যপ্রদেশে ছেড়ে আসা আমার জবলপুরের বাড়ি। শীতের সকালে। তার চারপাশ।
Comments
Post a Comment