Skip to main content

Posts

Showing posts from August, 2019

পথ

মনে হয় সদা স্বপনে যেন পথের শেষে এলাম তবে: আমি পথিক জীবন পথে পথ কিছু সদা রয়েই যাবে।
ফলেন পরিচিয়তে 🍒🍒🍒🍒🍒🍒🍒 কথিত আছে আদি মানব বেশ সুখেই ছিল।মরল মানব সভ্যতা নামক ভয়ানক রোগে। সভ্য হবার পূর্বে সে গাছের ফল খেত আর পরমানন্দে দিন কাটাত। এদের মধ্যে একজন আদিমানব মাঙ্গলিক ছিল। যত মঙ্গল গ্রহ জাত কুচক্রের শিকার, মাঙ্গলিক।তার রাশি চক্রে মঙ্গলের জোরালো অবস্থানের ফলে যত সব অঘটন ঘটতে লাগল। এমনি এক অঘটনের দিনে তাঁর হঠাৎ মনে হল এই যে গাছটা, যার সুস্বাদু ফল খেয়ে আমার ক্ষিদে মিটে যায়, তার আসল পরিচয় কি? সভ্যতা বিবর্তনের ইতিহাস অনুসন্ধিৎসু মনের অকারণে এমনি সব উদ্ভট,বৈজ্ঞানিক এবং অতি অবান্তর  প্রশ্নের প্রবাহে প্রবাহিত এক লম্বা কাহিনী। ভয়াক গ্রহ এই মঙ্গল! প্রশ্ন জাগল আমার মনে, কোথায় অবস্থিত এই মঙ্গল গ্রহ? একজন বন্ধু জানাল মঙ্গল গ্রহ পৃথিবী থেকে ২২৭.9x10 কোটি কি. মি. দূরে অবস্থিত।  মানুষের প্রতি বিরাট উৎসাহী।মানুষের মনকে এত দূরে থেকেও ভয়ানক সব প্রবণতা প্রদান করে।  মানুষের জীবনেও অনেক রকমের বিধ্বংসী প্রভাব ফেলে। সব থেকে মারত্মক প্রভাব হলো, বিবাহে ভাঙচি দেওয়া। এ কি মারাত্মক কথা? বলি, বিয়ে বলে ব্যাপার। এ যে মহা সমস্যা! উপায়? খোঁজ নিয়ে জানলাম আমাদের সমৃদ্ধ শাস্...
লাড্ডু খেয়ে গোল্লায় যাওয়া 👣👣👣👣👣👣👣👣👣👣 কাল জন্মাষ্টমী। নাড়ুগোপালের পুজো। আমার হিন্দিভাষী বন্ধুরা আবার 'লাড্ডুগোপালের' পুজো করে। যাহা নাড়ু তাহাই লাড্ডু।শুধু ভাষার অন্তর। হিন্দিভাষী বন্ধুর বাড়িতে বিশাল আয়োজন।ডাক পড়ল, সকাল সকাল চলে আয় অনেক রকমের লাড্ডু হবে।কিছু নমুনা আলাদা করে পাওয়া যাবে।খাওয়া যাবে। গেলাম। সে এক এলাহী ব্যাপার! হিন্দি ভাষীদের কতরকমের লাড্ডু হয় দেখলাম,খেলাম। প্রায় পাঁচ ছয় রকমের লাড্ডু: বেসনের লাড্ডু , মোতিচুরের লাড্ডু, বোঁদের লাড্ডু , গঁদের লাড্ডু আর সুজির লাড্ডু । অতি সুস্বাদু মিষ্টান্ন এবং কখনই এক-দুটায় তৃপ্তি হয়না। আধ ডজন না খেলে একটা অপূর্ণতা থেকে যায় । আবার মনেপড়ে যাচ্ছে সেই তিরুপতির বিশেষ প্রসাদী লাড্ডু ।খুবই কাজের,খেলেই বালাজি-র আশির্ব্বাদ ।খেতেও দারুন। বাঙালীর তথাকথিত তিলের নাড়ু , নারকেল নাড়ু , মুড়ির মোয়া , এগুলো সব হিন্দিতে লা ড্ডু বলেই পরিচিত । সব লাড্ডুই পরম মিষ্টান্ন।খেয়ে তৃপ্তি। তবে লাড্ডু অনেক সময় ভীষণ বিস্বাদেরও হতে পারে জানি। জান ন...
Lies, damn lies and statistics. ✔✖✔✖✔✖✔✖✔✖✔ Statistics দিয়ে সুখ মাপবে: হরি নামেব কবলম্!! Happiness Index-কোন রাষ্ট্রে মানুষ কত সুখী র পরিমাপ। আমার জনৈক বন্ধু জানালেন এই পরিমাপন নিরুপণ করে বিজ্ঞানীরা বলে দেবেন কে কত সুখী এবং কোন রাষ্ট্রে মানুষ কত সুখী। বা রে বা! তালি।তালি।তালি। বলি , সুখী কে এবং তা কি মতে ঠিক হবে, এটা বিচার করা যায়? উহুঁ। করা যায় না। স্ট্যটিস্টিক্স, মানে সংখ্যাতত্ব- বড়ই ছলনার যন্ত্র রে ভাই! বলি, গৌতম কে মনে পড়ে? আরে সেই যে লুম্বিনীর রাজার পুত্র, সিদ্ধার্থ।রাজপুত্র, তায় আবার বিবাহ হলো এক অপরূপা সতনুকা, সুমখশ্রীযুক্তা, সুকেশি ও যতসব সু-এই আর সু-ওই সম্পন্না যশোধরা-র সাথে। বাবা, আর কি চাই? তবু ব্যটা অসুখী এবং গৃহত্যাগী। সুখের খোঁজে! বোঝো ঠ্যলা!! টাকা? খুঁজুন, পাবেন। সুনাম, তাও পাবেন। প্রতাপ, প্রতিপত্তি? হ্যাঁ! হ্যাঁ! কিন্তু সুখের বেলায় ঠনঠনে গোপাল পাবেন। সুখ পাওয়ার ভাবনা মানেই: " তোরা যে যা বলিস ভাই, আমার সোনার হরিণ চাই"...
সকলের অদৃষ্ট আমার এক সত্তা 👓👓👓👓👓👓👓👓👓👓👓 এক এক সময় ভাবি আপাতদৃষ্টিতে অদৃষ্ট তবে আমি সুখী? আবারও ভাবি হয়ত আম্বানী, বিড়লা, আরও কে কে সব অতি ধনী লোক , তাদের অদৃষ্টেই  শুধু সুখ আছে। আসল ধনী ও সুখী কে? একটা উৎকট, উদ্ভট এবং অলীক কল্পনাজাত উপস্থাপনা করি। গালাগাল দিতে পারবেন, চলবে- অভ্যস্ত। ইশ্বরচন্দ্রগুপ্ত লিখেছিলেন: " দেখি বটে এই কাল, ফলত অদৃষ্ট । সুখ দুখ ভেদে বলি,আপন অদৃষ্ট ॥ প্রপঞ্চ শরীর পেয়ে, যত দিন রই । এই কাল এই আমি এই মাত্র কই । নাহি জানি কেবা, কেবা, আমি কেবা হই । কিন্তু ভাবি, আমি আমি, কছু আমি নই। বই করি স্থিতিকাল, খুলে দেহ বই। ভবের খাতায় শুধু করি ঢেরা সই ৷ বাজিল ছুটীর ঘড়ি, হলো রোজসই। আর কেন ওহে ভাই, কর হই হই ? বোঝা গেল সবিশেষ, মিছে বোঝা বই। কার প্রতি ভার দিই, কার ভার বই ॥ আমি বলি এই এই, তুমি বল ওই। দেখা যাবে এই,ওই,-ক্ষণকাল বই ৷ কুলে থেকে জল লহ, বলি পই পই। ডুবিলে মায়ার হ্রদে, পাবেনাকো থই৷" মায়ার হ্রদে কে ডুবেছে? যে...
মনটা ভালো নেই।খুব চিন্তায় আছি।বন্ধুদের অনেকেই সমাধান দিতে পারেনি।সবাই পারবে না বলে হাল ছেড়ে দিয়েছে।নেপলা, গোপলা, বগা, পচা, ঝন্টু কিংবা সান্টু, সব ফেল।এরা একেকটা হিরের টুকরো ছেলে।এঁদের অসাধ্য কিছুই নয় জানতাম।এই সেদিন বৈদ্য বললো ষাঁড়ের দুধ খেয়ে পরীক্ষায় বসলে ঝন্টুর ছেলে IIT র প্রবেশিকায় অনায়াসে সফল হবে।হয়নি।কারণ বৈদ্যর ওষুধে কাজ হয়নি।ঝন্টু কিন্তু ষাঁড়ের দুধ এনে দিয়েছিলো।এহেন যোগ্য লোকেরাও যদি না পারে তবে আমার প্রশ্নটা ফে বু তেই দিতে হয়।সমাধান চাই।আমি অকাল কুষ্মান্ড এক অযোগ্য গাধা।কিন্তু ফে বু তে তাবড় তাবড় কিছু অসাধারণের সান্নিধ্য পেয়েছি।তাঁরাই পারবেন সমস্যাটার সমাধান দিতে। প্রশ্নটা হলো: "গাল ফোলা গোবিন্দর মা, চালতে তলায় যাইও না"। এখানে কার গাল ফোলা, গোবিন্দর না গোবিন্দর মার?
ভূতেরই ভবিষ্যত আছে। তবে, ভৌত নয় ভৌতিক। কেন? বলছি: ১৯৬৪ র পূজাবার্ষিকী 'উত্তরায়ণ', দেবসাহিত্য কুটির। হাসির গল্প কিন্তু দিন-রাতের ঘুম লোপাট সারা জীবনের জন্য। নাম ' তবলাদার ভূত' -উমাশঙ্কর। এক পাড়ার দাদা, তবলাদা'র গল্প। একদম তবলা পাগল।মুখে তা ধিন ধিন তা না ধিন ধিন না তেড়ে কেটে মেরে পিটে দমাদম সারাক্ষণ মুখে আর সঙ্গে দুই হাতে। সামনে যা পায় তাই চাঁটিয়ে দেয়। তবলা পেলে পাগলা পুরা বারো ঘন্টা এক টানা তারপর বাপের তাড়া খেয়ে ছাড়া। সেই রকম একদিন দুপুরে আয়েশ করে তবলাদা পাড়ার অশ্বত্থ গাছের মগডালে বসে বলে উঠলো: তা ধিন ধিন তা আর সেখান থেকে ধপাস।সঙ্গে সঙ্গে বোল বদল, শোনা গেলো: "তাঁ ধিঁন ধিঁন তাঁ"। এরপর পুরো গল্পটা হাসির হবে হয়তে কিন্তু আমি তখন পাঁচ বছরের বালক।গা ছম ছমিয়ে উঠলো আর দেখলাম বাগানের পেয়ারা গাছে সাদা ছায়া মত কায়া হীন এক দাদা বলছে "তাঁ ধিঁন ধিঁন তাঁ" আর একটি অদৃশ্য তবলা বাজাতে বাজাতে পড়ে যাচ্ছে। আবার, গাছের ডালে বসে সেই তবলা! বই বন্ধ করে চোখ মুজে বালিসে মাথা গুঁজে...
অবসরোত্তর সময় কাটাতে- পরচর্চা পরনিন্দা না ধর্মচর্চা? পরচর্চা পরনিন্দা ও ধর্মচর্চা, আফিঙ্গের ন্যায়ে আমাদের নেশাতুর করে রাখে।ভগবান , অন্তত বিজ্ঞান চর্চা মতে , নিরস্তিত্ব আরেকটি আফিঙ্গের গুলি মাত্র।নেশাই যদি করতে হয় তবে জ্ঞানের নেশার মতো কোনো নেশা নেই।কিছু টাকায় সারা জীবন বই কিনে, অবসরে তাই পড়ে যদি হারিয়ে যাওয়া যায় তবে অনেকটাই যাওয়া যায়।তারপর যদি ঝুলিতে হাত দিয়ে নিজ সৃজন ক্ষমতার জোরে কখনও একটা অনুগল্প কিংবা কখনও একটা অপরিণত হাতে রচিত কবিতা বা অনুরচনা প্রসবিত হয় তা যন্ত্রণা নয় আনন্দই দেয়। আজ সোশাল মিডিয়াতে অনেকেই অনুকথনে মজেছেন।আমিই কি আর কুকথন করি? মন্দই সই, কিছু হিন্দি, বাংলা আর English কবিতা রচি কিংবা রসিয়ে মজিয়ে আপনাদের লেখার ওপর বেশ সময় নিয়ে মন্তব্যের নামে বকবকামৃত পরিবেশন করি......মায়া বলতে এই তো মাত্র আমাদের মায়া।যে মায়া প্রপঞ্চময়, সেই PNPC টা করতে হয় না।বেশ ভালই আছি: আপনারাও আছেন।চলুক , যদ্দিন এভাবে চলে। যেদিন চলবে না , আমার ক্ষত্রে সে দিন দেখবেন আমার বাড়ি হতে হিন্দু সৎকার সমিতির গাড়িতে মাত্র কুড়ি মিনিট: থাকবে ঝোলা, ভাগবে ভোলা...... হা হা হা😃😜😄...
ফেবু ভূত! মৃত্যু উপরান্ত যদি মায়ার সংসারে আত্মা আবদ্ধ হয়ে যায় তাহলে? প্রথমত আবদ্ধ কেন হয়? উত্তর: প্রেম, সবকিছুর প্রতি অনিবার প্রেম। যেমন: অর্থ, আত্মীয়, নিজ কিংবা পর জায়া এবং আরও জাগতিক যত কিছু। শুধু এসব হলে তবুও চলত, চলল না কিন্তু । এন্ড্রয়েডের অথবা আইফোন উইন্ডোফোন ল্যপটপ কম্পিউটার ইত্যাদির virtual world টা এসেই দিল মারাত্মক গন্ডগোল পাকিয়ে।এমন একটা নাগপাশ ছড়ালো যার নাম সোশাল মিডিয়া। শাআআলা! বাচ্চা থেকে শুরু, আমৃত্যু আবদ্ধ!সব মায়া কাটলেও এ মায়া মরণোত্তরও যাবে না। ভূত হয়ে ভবিষ্যতেও update দিয়ে যাবে। আগে কতো রকমের ভূত হতো: গেছো, মেছো, মামদো, স্কন্ধকাটা, ব্রহ্মদত্ত্যি, পেত্নী, সাকচুন্নী। এখন এক নতুন ভূতের ব্যপক উদ্ভবে সব ভূত extinct হয়ে গেলো। নাম হলো: 'ফেবু ভুত'। সবাই অনিবার্য কারণে মরে, এখনও সেই নিয়ম কায়েম আছে হয়ত থাকবেও।মরে সবাই  ভূতই হয় কারণ বর্তমানকে পেছনে রেখে আসলে নিরুপায়। বৈকুন্ঠ প্রাপ্তি?না, তা হবে না। আবার, গেছো, মেছো, মামদো, স্কন্ধকাটা, ব্রহ্মদত্ত্যি, পেত্নী, সাকচুন্নী ভূতও না।   শুধু হতে হবে 'ফ...
আবারও সেই ছাতার মাথার ব্যথার গল্প। ১৯৬৯ সালের দেবসাহিত্যের পূজাবার্ষিকী 'শুকশারি' পুজোর ছুটিতে পড়লাম।তখন এই নয়- দশ এবং বেশি এনার্জি । বিরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রর 'দুর্বাশার আক্কেল সেলামী'টা পড়ে ক্লাস থ্রিএর মাষ্টার মহাশয়ের সহিত মিলে গেলো।গ্রামের ইশকুল।মাষ্টার মহাশয় একটু বেশিই কড়া ও মাত্রাতিরিক্ত অসহিষ্ণু- মানে দুর্বাশার ন্যায়ে যৎপরোনাস্তি রেগে সব রাগ ডান হাতেই প্রকাশ করেন।ফলতঃ ছাত্রদিগের কানগুলো বড় হয়ে হৃষ্ট হয় এবং বেত্রাঘাত ক্রমশঃ দুষ্টু বালকের সহন ক্ষমতা এবং শিক্ষকের সাস্তিদান-এ বৃদ্ধি ঘটায়। পুজোর পর প্রথম দিন।সহপাঠিকে ক্লাস চলাকালীন বিরেন্দ্র বাবুর গল্পটা বলছি আর দুর্বাশার নজরে পড়া এবং তৎক্ষণাৎ একটা ন্যুক্লিয়ার ফিশান হয়ে হাতের কাছে সর্ব ঘটের কাঁঠালি কলা মানে রোদের  ছাতাখানাই পেলেন।ছাতা দিয়েই বেধড়ক আমার কান ধরে পুরা আধাঘন্টা ছাতাচারী অত্যাচারের পর যেই ছাতটা ভাঙলো....কিল, চড়, ঘুষি, লাথি, থুড়ি লাথি নয়, অভিসম্পাত বর্ষণ এবং শেষে পরিশ্রান্ত হয়ে কক্ষ ত্যাগ... বাঁচা গেলো।সেই ছাতার বেদম প্রহার আজও মনে পড়ে যায় যখনই ঘুমোবার চেষ্টা করি। ছাতা বড়ই ...
আজ হতে নিয়ম বদল। 👀👀👀👀👀👀👀 ঘন কালো মেঘ। থমথমে। গুড়ু গুড়ু। জলদ হাওয়া। সকাল সাতটা। নির্ধারিত হলো: আজ খিচুড়ি ও ইলিশ মাছ ভাজা। আকাশ নয়, জল ঢাললেন গিন্নি: মেঘ রোজ করে, এক দু ফোঁটাও পড়ে। যেন পূজা উত্তর শান্তির জলের ছিঁটে, তার পর শুকনো, এমন কি রোদও ওঠে। যাঃ। তবু মরিয়া: খিচুড়ি- ইলিশ নয়তো বাঙালী ফিনিশ। ফিনিশ হলে হবে না । আবার, বরুণ বাবুর ওপর ভরসা করা চলে না। মস্তিষ্ক ঝাকিয়েও কোনো উপায়েই খিচুড়িতে উপনিত হওয়া যাচ্ছা না।করলা আর শসার নির্জাস গোল মরাচ দিয়ে খেলে শুনেছি মস্তিষ্ক উর্বর হয় এবং নতুন আইডিয়া আসে: উপস্থিত সমস্যার আশু সমাধান যোগায়। সাড়ে সাতটা ঘড়িতে, গিন্নী ব্যস্ত নির্জাস তৈরিতে। তবে, গজ গজ করে, মনে মনে নিকুচিটা শেরে। এক গেলাস তেতো, তাও হাঁড়িপানা মুখে, দিলেন আর সঙ্গে সঙ্গে ইউরেকা! খিচুড়ি তৈরি হোক; বৃষ্টির অপেক্ষায় বসে যাও। যেই ছিঁটেফোটা শুরু, খিচুড়ি খাও। উত্তম উপায়: সাপও মরলো লাঠিও ভাঙলো না। বৃষ্টি-খিচুড়ি ভোগে...
পাঁচকড়ি থেকে তিনকড়ি: একি অধঃপতন! 💫💫💫💫💫💫💫💫💫💫💫💫💫💫 "রিম ঝিম রিম ঝিম, ঘন দেয়া বরষে, কাজরী নাচিয়া চল" ইলিশ খাবার হরষে। অবশেষে হলো, শ্রাবনের রিমঝিম ধারা শ্রবণ, সঙ্গে ইলিশ ভোগের মনপবন । চলে গেলাম পাঁচকড়ি বাবুর বাজারে। সেটা ২০১৮ সালের আগস্ট মাসের কথা। নেপলার মাছের দোকান।শুধুই ইলিশ! সুন্দর, এই চওড়া এবং ছোট্ট মাথার রূপ সী রূপার আকর্ষণ মারাত্মক ! - দাদা নিয়ে যান, খাস বড়িষালের মাল। - দাম কতরে নেপলা ? - দাম আবার কেনো, খেয়ে দাম। - আরে বাবা জানা দরকার, দাম? - খেয়ে দিবেন এই , মাত্র ২৫০০ 🙉 ¿¿¿¿ ¡¡¡¡ - দাদা এক কি লো চারশো ওজন। - খেলে দাম দিতে গায়ে লাগবে না , নিয়ে যান , খেয়ে দাম! আহা রে! নিলাম। প্রস্তুত ছিলাম না, তখন দাম দিলাম না। আজ ২০১৯ এর আগস্ট। আবার সেই " রিম ঝিম রিম ঝিম, ঘন দেয়া বরষে, কাজরী নাচিয়া চল" ইলিশ খাবার হরষে। কিন্তু একবছর হলো নেপলার দাম দিতে না পারায় আমি তিনকড়ি বাবুর বাজারে যাই।...
দমদম দাওয়াই 🕙🕒🕟🕙🕘 পিতৃআচার। সন্তানের ওপর দমদম দাওয়াই প্রয়োগ একটা চিরন্তন ব্যাপার ছিল। না, যারা আমার পরের জেনারেশন, তারা এটার মহিমা ঠিক হয়তো অনুধাবন করতে পারবে না । তাই তাদের, ভারতবর্ষের এই সনাতনী পিতৃআচার কেমন ছিল আর ফলদায়ী কতটা ছিল, সেটা জানার জন্য একটা ক্ষীণ চেষ্টা করবো। এই আমাকেই দেখ। বুঝতে হবে, বাপের দমদম দাওয়াই না হলে কি কি হতো না : ১)পড়াশুনাটা হতো না। ২) সহ্য ক্ষমতা বাড়তো না। ৩) সফল চাকর হতে না পেরে খেয়ে পরে থাকা হতো না। এই সব দুর্লভ  প্রাপ্তি সে যুগে পিতার নিরলস পরিশ্রমের দরুন অতি দুরন্ত বালকগণেরও হতো। আজ সেই সব পদ্ধতি বর্জিত। তবে কখনও কখনও একদম যে প্রয়োগ হয়না তা নয়।কিন্তু, পুরানো সব কিছুই আজ কার্যকারিতা হারিয়েছে। সেই ক্লাশ ফোরে পড়ার সময়ের কথাটা মনে পড়ে আর ভাবি: মানুষটাকে কত খাটতে হয়েছে। কর্তব্যনিষ্ঠা তাকে অনুপ্রণিত করে রাখতো আমাকে বাঁদর হতে কিছুটা মানুষ ধরণ করতে। পেরেছিল কিন্তু ল্যজটা কিছুটা অবশিষ্ট রয়ে গেলো।পুরাটা কাটতে পারে নাই।কারণ তিনি ল্যজ কাটার উদ্যোগ নিতেই আম...