Skip to main content

ফেবু ভূত!
মৃত্যু উপরান্ত যদি মায়ার সংসারে আত্মা আবদ্ধ হয়ে যায় তাহলে?

প্রথমত আবদ্ধ কেন হয়?

উত্তর: প্রেম, সবকিছুর প্রতি অনিবার প্রেম।

যেমন: অর্থ, আত্মীয়, নিজ কিংবা পর জায়া এবং আরও জাগতিক যত কিছু।

শুধু এসব হলে তবুও চলত, চলল না কিন্তু । এন্ড্রয়েডের অথবা আইফোন উইন্ডোফোন ল্যপটপ কম্পিউটার ইত্যাদির virtual world টা এসেই দিল মারাত্মক গন্ডগোল পাকিয়ে।এমন একটা নাগপাশ ছড়ালো যার নাম সোশাল মিডিয়া।

শাআআলা! বাচ্চা থেকে শুরু, আমৃত্যু আবদ্ধ!সব মায়া কাটলেও এ মায়া মরণোত্তরও যাবে না।ভূত হয়ে ভবিষ্যতেও update দিয়ে যাবে।

আগে কতো রকমের ভূত হতো: গেছো, মেছো, মামদো, স্কন্ধকাটা, ব্রহ্মদত্ত্যি, পেত্নী, সাকচুন্নী।

এখন এক নতুন ভূতের ব্যপক উদ্ভবে সব ভূত extinct হয়ে গেলো।

নাম হলো: 'ফেবু ভুত'।

সবাই অনিবার্য কারণে মরে, এখনও সেই নিয়ম কায়েম আছে হয়ত থাকবেও।মরে সবাই  ভূতই হয় কারণ বর্তমানকে পেছনে রেখে আসলে নিরুপায়। বৈকুন্ঠ প্রাপ্তি?না, তা হবে না। আবার, গেছো, মেছো, মামদো, স্কন্ধকাটা, ব্রহ্মদত্ত্যি, পেত্নী, সাকচুন্নী ভূতও না।  শুধু হতে হবে 'ফেবু ভুত'। অন্য কোনো আদি ভূত হবার যোগ্যতা মোবাইল আর ফেসবুকের ভয়ঙ্কর যোগসাজসে হাতছাড়া হয়ে গেছে। ওসব বটগাছের ব্রহ্মদত্তি হয়ে দাপিয়ে বেড়ান বা ভুষুন্ডির মাঠে 'ফল্গু কে বিটিয়া,ভজুয়াকে বহনিয়া সে শাদী' হবে না।

ভূতের গল্প লেখকদের বড়ই দুর্দিন, নতুন কিছু ফাঁদতে হবে: নতুন নতুন ফেবু ভূতের গল্প।

লে হালুয়া।

Comments

Popular posts from this blog

सीख

------ आहिस्ता आहिस्ता चलती रही घड़ी, घन्टे के कांटे में आंखें रुकी रुकी। होश में न थे हम जाने कब और कैसे, चहल कदमी से श्याम ढल चुकी । निकल चुका था जनाजा मौकों का बेआब्रू हो गयीं नाकामियां, रोने से भी मोहताज हो गये हम तब, हंसने लगीं  सारी बर्बादियां। अब गुब्बारे सारे छूट गये आसमां पर, देखा अरमानों का उड़जाना। नजर उतार रख हांथ दिलपर अपने, बन्द आंखें पड़ रहा पछताना। ऐ किस्मत के रचनाकारों सुनलो आज, किस्मत जीती बाजी की चाल नहीं; सहनी पड़ती है बहुत  निरंतर, जूझो,मौका खोकर पछताओ नहीं।   
সাহিত্যের সমৃদ্ধি 💪💪💪💪💪💪 কৌশিকী অমাবস্যা। দেবীর কি এই কৌশিকী রূপ?মহাদেব পার্বতীকে কালিকা ডাকতেন।শুম্ভ নিশুম্ভ বধে মানস সরোবরে স্নান করে বিশেষ পরাক্রমের অধিকারিণী রূপেই কালিকা কৌশিকী অর্থাত কৃষ্ণ বর্ণা বীরাঙ্গনা হলেন।এটা শাস্ত্র সিদ্ধ মত।আমি নিতান্তই পাঠক এক গল্প পড়ে জেনেছি।ঠিক না বেঠিক অন্যান্য অনেক তথ্যের মতই এটাও আর চর্চা না করেই মেনে নিয়েছি।আমার এতেই দিব্যি কেটে যাচ্ছে। কৌশিকী অমাবস্যা এই তিথিতে পালন হয়। কারন সুধা ছাড়া তন্ত্র মতে কৌশিকী অমাবস্যায় পূজা নাকি সিদ্ধ নয় অতএব কৌশিকী সুধা অনিবার্য।এই সুধা পানে ভগবত প্রাপ্তি হবেই। একদম গ্যারান্টি।বিশ্বাস না হলে পরীক্ষা প্রার্থনীয়।আমি আবশ্য শোনা মাত্রই বিশ্বাস করে নিয়েছি।আমার মত অলসেরা সহজেই বিশ্বাস করে নেয়।আপনি কেন তা করবেন।মোটেই করবেন না।যাচাই করুন আর ফল উপভোগ করুন। কারন সুধা সেবনে ভক্তিরসের চুড়ান্ত প্রাপ্তি একটা বিশাল ফল লাভ।তবে আরও আছে। কারনসুধা সেবন যোগে  অনেকেই বেহুঁশ হয়ে অন্যের কাঁধে চেপে স্থান ত্যাগ করার মর্যাদা পান। কেহ কেহ আবার সবার অলক্ষে রস সিক্ত হয়ে নর্দমায় অতিসিক্ত হয়ে মহানন্দ দশায় নর্দমাজলের গুণে ও তার...
 সুখের জীবন , যেন মৃগ মরিচিকা : উদ্ভাসিত কিন্তু দেয়না ধরা। যেমন, বসন্তের রোদন : ঝরাপাতায় দেয় হারানো স বুজের সুখ স্মৃতি। পত ঙ্গের উড্ডয়ন, ডানামেলার উচ্ছাসেই লেখা তার বিধির লেখন : পতনের সুচনা,সমাপ্ত জীবন। নিশ্চত করে শেষ, বুঝিবা সুচনা হয় সব ভালো র। শুধু ক্ষণিকের জলোচ্ছাস : সমুদ্রের বুকেই পুনরায় সমাপন। জীবনের পুঁথী: অসঙ্খ সম্ভাবনার লেখন। সমাপ্তি শুধু একবার; সমাপ্তিতেই কেন্দ্রীভূত জীবন।