Skip to main content

আবারও সেই ছাতার মাথার ব্যথার গল্প।

১৯৬৯ সালের দেবসাহিত্যের পূজাবার্ষিকী 'শুকশারি' পুজোর ছুটিতে পড়লাম।তখন এই নয়- দশ এবং বেশি এনার্জি ।

বিরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রর 'দুর্বাশার আক্কেল সেলামী'টা পড়ে ক্লাস থ্রিএর মাষ্টার মহাশয়ের সহিত মিলে গেলো।গ্রামের ইশকুল।মাষ্টার মহাশয় একটু বেশিই কড়া ও মাত্রাতিরিক্ত অসহিষ্ণু- মানে দুর্বাশার ন্যায়ে যৎপরোনাস্তি রেগে সব রাগ ডান হাতেই প্রকাশ করেন।ফলতঃ ছাত্রদিগের কানগুলো বড় হয়ে হৃষ্ট হয় এবং বেত্রাঘাত ক্রমশঃ দুষ্টু বালকের সহন ক্ষমতা এবং শিক্ষকের সাস্তিদান-এ বৃদ্ধি ঘটায়।

পুজোর পর প্রথম দিন।সহপাঠিকে ক্লাস চলাকালীন বিরেন্দ্র বাবুর গল্পটা বলছি আর দুর্বাশার নজরে পড়া এবং তৎক্ষণাৎ একটা ন্যুক্লিয়ার ফিশান হয়ে হাতের কাছে সর্ব ঘটের কাঁঠালি কলা মানে রোদের  ছাতাখানাই পেলেন।ছাতা দিয়েই বেধড়ক আমার কান ধরে পুরা আধাঘন্টা ছাতাচারী অত্যাচারের পর যেই ছাতটা ভাঙলো....কিল, চড়, ঘুষি, লাথি, থুড়ি লাথি নয়, অভিসম্পাত বর্ষণ এবং শেষে পরিশ্রান্ত হয়ে কক্ষ ত্যাগ... বাঁচা গেলো।সেই ছাতার বেদম প্রহার আজও মনে পড়ে যায় যখনই ঘুমোবার চেষ্টা করি।

ছাতা বড়ই বদ জিনিষ।

Comments

Popular posts from this blog

सीख

------ आहिस्ता आहिस्ता चलती रही घड़ी, घन्टे के कांटे में आंखें रुकी रुकी। होश में न थे हम जाने कब और कैसे, चहल कदमी से श्याम ढल चुकी । निकल चुका था जनाजा मौकों का बेआब्रू हो गयीं नाकामियां, रोने से भी मोहताज हो गये हम तब, हंसने लगीं  सारी बर्बादियां। अब गुब्बारे सारे छूट गये आसमां पर, देखा अरमानों का उड़जाना। नजर उतार रख हांथ दिलपर अपने, बन्द आंखें पड़ रहा पछताना। ऐ किस्मत के रचनाकारों सुनलो आज, किस्मत जीती बाजी की चाल नहीं; सहनी पड़ती है बहुत  निरंतर, जूझो,मौका खोकर पछताओ नहीं।   
সাহিত্যের সমৃদ্ধি 💪💪💪💪💪💪 কৌশিকী অমাবস্যা। দেবীর কি এই কৌশিকী রূপ?মহাদেব পার্বতীকে কালিকা ডাকতেন।শুম্ভ নিশুম্ভ বধে মানস সরোবরে স্নান করে বিশেষ পরাক্রমের অধিকারিণী রূপেই কালিকা কৌশিকী অর্থাত কৃষ্ণ বর্ণা বীরাঙ্গনা হলেন।এটা শাস্ত্র সিদ্ধ মত।আমি নিতান্তই পাঠক এক গল্প পড়ে জেনেছি।ঠিক না বেঠিক অন্যান্য অনেক তথ্যের মতই এটাও আর চর্চা না করেই মেনে নিয়েছি।আমার এতেই দিব্যি কেটে যাচ্ছে। কৌশিকী অমাবস্যা এই তিথিতে পালন হয়। কারন সুধা ছাড়া তন্ত্র মতে কৌশিকী অমাবস্যায় পূজা নাকি সিদ্ধ নয় অতএব কৌশিকী সুধা অনিবার্য।এই সুধা পানে ভগবত প্রাপ্তি হবেই। একদম গ্যারান্টি।বিশ্বাস না হলে পরীক্ষা প্রার্থনীয়।আমি আবশ্য শোনা মাত্রই বিশ্বাস করে নিয়েছি।আমার মত অলসেরা সহজেই বিশ্বাস করে নেয়।আপনি কেন তা করবেন।মোটেই করবেন না।যাচাই করুন আর ফল উপভোগ করুন। কারন সুধা সেবনে ভক্তিরসের চুড়ান্ত প্রাপ্তি একটা বিশাল ফল লাভ।তবে আরও আছে। কারনসুধা সেবন যোগে  অনেকেই বেহুঁশ হয়ে অন্যের কাঁধে চেপে স্থান ত্যাগ করার মর্যাদা পান। কেহ কেহ আবার সবার অলক্ষে রস সিক্ত হয়ে নর্দমায় অতিসিক্ত হয়ে মহানন্দ দশায় নর্দমাজলের গুণে ও তার...
 সুখের জীবন , যেন মৃগ মরিচিকা : উদ্ভাসিত কিন্তু দেয়না ধরা। যেমন, বসন্তের রোদন : ঝরাপাতায় দেয় হারানো স বুজের সুখ স্মৃতি। পত ঙ্গের উড্ডয়ন, ডানামেলার উচ্ছাসেই লেখা তার বিধির লেখন : পতনের সুচনা,সমাপ্ত জীবন। নিশ্চত করে শেষ, বুঝিবা সুচনা হয় সব ভালো র। শুধু ক্ষণিকের জলোচ্ছাস : সমুদ্রের বুকেই পুনরায় সমাপন। জীবনের পুঁথী: অসঙ্খ সম্ভাবনার লেখন। সমাপ্তি শুধু একবার; সমাপ্তিতেই কেন্দ্রীভূত জীবন।