আজ হতে নিয়ম বদল।
👀👀👀👀👀👀👀
ঘন কালো মেঘ।
থমথমে।
গুড়ু গুড়ু।
জলদ হাওয়া।
সকাল সাতটা।
নির্ধারিত হলো: আজ খিচুড়ি ও ইলিশ মাছ ভাজা।
আকাশ নয়, জল ঢাললেন গিন্নি:
মেঘ রোজ করে,
এক দু ফোঁটাও পড়ে।
যেন পূজা উত্তর শান্তির জলের ছিঁটে,
তার পর শুকনো,
এমন কি রোদও ওঠে।
যাঃ।
তবু মরিয়া:
খিচুড়ি- ইলিশ
নয়তো বাঙালী ফিনিশ।
ফিনিশ হলে হবে না ।
আবার, বরুণ বাবুর ওপর ভরসা করা চলে না।
মস্তিষ্ক ঝাকিয়েও কোনো উপায়েই খিচুড়িতে উপনিত হওয়া যাচ্ছা না।করলা আর শসার নির্জাস গোল মরাচ দিয়ে খেলে শুনেছি মস্তিষ্ক উর্বর হয় এবং নতুন আইডিয়া আসে: উপস্থিত সমস্যার আশু সমাধান যোগায়।
সাড়ে সাতটা ঘড়িতে,
গিন্নী ব্যস্ত নির্জাস তৈরিতে।
তবে, গজ গজ করে,
মনে মনে নিকুচিটা শেরে।
এক গেলাস তেতো, তাও হাঁড়িপানা মুখে, দিলেন আর সঙ্গে সঙ্গে ইউরেকা!
খিচুড়ি তৈরি হোক; বৃষ্টির অপেক্ষায় বসে যাও।
যেই ছিঁটেফোটা শুরু, খিচুড়ি খাও।
উত্তম উপায়: সাপও মরলো লাঠিও ভাঙলো না।
বৃষ্টি-খিচুড়ি ভোগের বৈদিক নিয়মেরও অবহেলা হলো না।
তদানুসার বাজার করা।
উঃ বাবা! ইলিশ কিনে হাত এবং পকেট গেলো পোড়া।
খিচুড়ি রেডি; আমিও।
সকাল এগারোটা:
রোদ।
বারোটা:
রোদ।
একটা:
আকাশ পরিষ্কার;
গিন্নির তিরষ্কার।
অগত্যা নিয়মের মাথা খেয়ে, শাস্ত্র বিরোধ যোগে মাথাফাটা রোদে, গিন্নির হাজমোলা সহ্য করে এবং ঘামতে ঘামতে খিচুড়ি- ইলিশ সেবন।
এই প্রথম জানলাম:
শাস্ত্র যাহা বলে তাহা সব সময় নাহি ফলে।
এই গরমেও ইলিশ-খিচুড়ি ভালোই চলে।
আজ হতে নিয়ম বদল।
Comments
Post a Comment