Skip to main content

সকলের অদৃষ্ট আমার এক সত্তা

👓👓👓👓👓👓👓👓👓👓👓
এক এক সময় ভাবি আপাতদৃষ্টিতে অদৃষ্ট তবে আমি সুখী?

আবারও ভাবি হয়ত আম্বানী, বিড়লা, আরও কে কে সব অতি ধনী লোক, তাদের অদৃষ্টেই  শুধু সুখ আছে।

আসল ধনী ও সুখী কে?
একটা উৎকট, উদ্ভট এবং অলীক কল্পনাজাত উপস্থাপনা করি।

গালাগাল দিতে পারবেন, চলবে- অভ্যস্ত।
ইশ্বরচন্দ্রগুপ্ত লিখেছিলেন:

"দেখি বটে এই কাল, ফলত অদৃষ্ট ।
সুখ দুখ ভেদে বলি,আপন অদৃষ্ট ॥
প্রপঞ্চ শরীর পেয়ে, যত দিন রই ।
এই কাল এই আমি এই মাত্র কই ।
নাহি জানি কেবা, কেবা, আমি কেবা হই ।
কিন্তু ভাবি, আমি আমি, কছু আমি নই।
বই করি স্থিতিকাল, খুলে দেহ বই।
ভবের খাতায় শুধু করি ঢেরা সই ৷
বাজিল ছুটীর ঘড়ি, হলো রোজসই।
আর কেন ওহে ভাই, কর হই হই ?
বোঝা গেল সবিশেষ, মিছে বোঝা বই।
কার প্রতি ভার দিই, কার ভার বই ॥
আমি বলি এই এই, তুমি বল ওই।
দেখা যাবে এই,ওই,-ক্ষণকাল বই ৷

কুলে থেকে জল লহ, বলি পই পই।
ডুবিলে মায়ার হ্রদে, পাবেনাকো থই৷"
মায়ার হ্রদে কে ডুবেছে?

যে অর্থের  মরিচিকার তরে ছুটা চলে, চলে ছুটে, একদন্ড সময় নাই, সে?

নাকি যে সময়ের গভীর জলের কুলে থেকে থাকে বেশ রসে বশে, সে?
ইশ্বরচন্দ্রগুপ্তই বলেছিলেন:

"সাংসারিক কত ক্লেশ, করিতেছ ভোগ ।
মনে মনে এই বোধ, শিক্ষা হবে যোগ ।
সুখের বাসনা যত, করি পরিহার।
নিরাহারে কভু থাকে,কভু নীরাহার ॥"
সেই সুখ নেই-সুখ যে সুখের বাসনা জাগায় অর্থের অতিশয় চাহিদা।কারণ, এই অতিশয় চাহিদা পূরণ হয় সময়ের অতিরুগ্ন বিনিময়ে।

এ কেমন জীবন যাত্রা যেটায় আছে লালসার প্রাধান্য? পিশাচের ন্যায়ে আরও, আরও অর্থের ভূয়ো অভিলাষা নিয়ে নেয় অতি মূল্যবান সময়?অর্থ দেয়, ঘটায় চুড়ান্ত সময়ের অভাব?

এই সময়ের অভাব কুরে কুরে খায় ভেতরের মুনুষ্যত্ব,জাগায় পৈশাচিক প্রবণতা,ডেকে আনে অশান্তি, মানসিক চাপ, শারীরিক ও মানসিক অস্থিরতা......নাহ্!
আমিই কি সেই অদৃষ্ট ধনী?
অর্থের ধনী নই: সময়ের অবস্যই।
আসল ধনী কে?
সে, যার অনেক টাকা তাই দেদার টাকার আনন্দে থাকে ?
অথবা সে, যার অনেক সময় এবং দেদার সময়ের আনন্দে থাকে?
আমি আমার মত:
নিরাহার-নীরাহার ভোগে বাড়ে বোধের বাহার:
দেদার সময় আছে, অপচয়ও সানন্দে দেদার।
(ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত মহাশয় থাকলে আমাকে ঠাঠিয়ে একখানা চড় দিতেন: ক্ষামা চাইলাম।)

আপনারা চড়....দিতে পারেন তবে:
আমিই আপনাদের অদৃষ্ট সুখী👓

Comments

Popular posts from this blog

सीख

------ आहिस्ता आहिस्ता चलती रही घड़ी, घन्टे के कांटे में आंखें रुकी रुकी। होश में न थे हम जाने कब और कैसे, चहल कदमी से श्याम ढल चुकी । निकल चुका था जनाजा मौकों का बेआब्रू हो गयीं नाकामियां, रोने से भी मोहताज हो गये हम तब, हंसने लगीं  सारी बर्बादियां। अब गुब्बारे सारे छूट गये आसमां पर, देखा अरमानों का उड़जाना। नजर उतार रख हांथ दिलपर अपने, बन्द आंखें पड़ रहा पछताना। ऐ किस्मत के रचनाकारों सुनलो आज, किस्मत जीती बाजी की चाल नहीं; सहनी पड़ती है बहुत  निरंतर, जूझो,मौका खोकर पछताओ नहीं।   
সাহিত্যের সমৃদ্ধি 💪💪💪💪💪💪 কৌশিকী অমাবস্যা। দেবীর কি এই কৌশিকী রূপ?মহাদেব পার্বতীকে কালিকা ডাকতেন।শুম্ভ নিশুম্ভ বধে মানস সরোবরে স্নান করে বিশেষ পরাক্রমের অধিকারিণী রূপেই কালিকা কৌশিকী অর্থাত কৃষ্ণ বর্ণা বীরাঙ্গনা হলেন।এটা শাস্ত্র সিদ্ধ মত।আমি নিতান্তই পাঠক এক গল্প পড়ে জেনেছি।ঠিক না বেঠিক অন্যান্য অনেক তথ্যের মতই এটাও আর চর্চা না করেই মেনে নিয়েছি।আমার এতেই দিব্যি কেটে যাচ্ছে। কৌশিকী অমাবস্যা এই তিথিতে পালন হয়। কারন সুধা ছাড়া তন্ত্র মতে কৌশিকী অমাবস্যায় পূজা নাকি সিদ্ধ নয় অতএব কৌশিকী সুধা অনিবার্য।এই সুধা পানে ভগবত প্রাপ্তি হবেই। একদম গ্যারান্টি।বিশ্বাস না হলে পরীক্ষা প্রার্থনীয়।আমি আবশ্য শোনা মাত্রই বিশ্বাস করে নিয়েছি।আমার মত অলসেরা সহজেই বিশ্বাস করে নেয়।আপনি কেন তা করবেন।মোটেই করবেন না।যাচাই করুন আর ফল উপভোগ করুন। কারন সুধা সেবনে ভক্তিরসের চুড়ান্ত প্রাপ্তি একটা বিশাল ফল লাভ।তবে আরও আছে। কারনসুধা সেবন যোগে  অনেকেই বেহুঁশ হয়ে অন্যের কাঁধে চেপে স্থান ত্যাগ করার মর্যাদা পান। কেহ কেহ আবার সবার অলক্ষে রস সিক্ত হয়ে নর্দমায় অতিসিক্ত হয়ে মহানন্দ দশায় নর্দমাজলের গুণে ও তার...
 সুখের জীবন , যেন মৃগ মরিচিকা : উদ্ভাসিত কিন্তু দেয়না ধরা। যেমন, বসন্তের রোদন : ঝরাপাতায় দেয় হারানো স বুজের সুখ স্মৃতি। পত ঙ্গের উড্ডয়ন, ডানামেলার উচ্ছাসেই লেখা তার বিধির লেখন : পতনের সুচনা,সমাপ্ত জীবন। নিশ্চত করে শেষ, বুঝিবা সুচনা হয় সব ভালো র। শুধু ক্ষণিকের জলোচ্ছাস : সমুদ্রের বুকেই পুনরায় সমাপন। জীবনের পুঁথী: অসঙ্খ সম্ভাবনার লেখন। সমাপ্তি শুধু একবার; সমাপ্তিতেই কেন্দ্রীভূত জীবন।