পাঁচকড়ি থেকে তিনকড়ি: একি অধঃপতন!
💫💫💫💫💫💫💫💫💫💫💫💫💫💫
"রিম ঝিম রিম ঝিম, ঘন দেয়া বরষে,
কাজরী নাচিয়া চল" ইলিশ খাবার হরষে।
অবশেষে হলো,
শ্রাবনের রিমঝিম ধারা শ্রবণ,
সঙ্গে ইলিশ ভোগের মনপবন।
চলে গেলাম পাঁচকড়ি বাবুর বাজারে।
সেটা ২০১৮ সালের আগস্ট মাসের কথা।
নেপলার মাছের দোকান।শুধুই ইলিশ!
সুন্দর, এই চওড়া এবং ছোট্ট মাথার রূপসী রূপার আকর্ষণ মারাত্মক!
-দাদা নিয়ে যান, খাস বড়িষালের মাল।
-দাম কতরে নেপলা?
-দাম আবার কেনো, খেয়ে দাম।
-আরে বাবা জানা দরকার, দাম?
¿¿¿¿ ¡¡¡¡
-দাদা এক কিলো চারশো ওজন।
-খেলে দাম দিতে গায়ে লাগবে না, নিয়ে যান,খেয়ে দাম! আহা রে!
নিলাম।
প্রস্তুত ছিলাম না,তখন দাম দিলাম না।
"রিম ঝিম রিম ঝিম, ঘন দেয়া বরষে,
কাজরী নাচিয়া চল" ইলিশ খাবার হরষে।
কিন্তু একবছর হলো নেপলার দাম দিতে না পারায় আমি তিনকড়ি বাবুর বাজারে যাই।
নেপলার দাম আজও দেওয়া হয় নাই।তাই, পাঁচকড়ির বাবুর বাজার নাহি যাই।
এখন তিনকড়ি আমার একমাত্র ভরসা।
আর কাজরী নাচবে না ইলিশ খাবার হরষে।
"ঋণং কৃত্বা ঘৃতং" নাহি "পিবেৎ" বারেবার।
পাঁচকড়ি থেকে তিনকড়ি!
অধঃপতন আর কি!
ছিঃ ছিঃ ইলিশ বড়ই বখাটে!
গোপালের মাছের দোকন থেকে ২৫০ গ্রাম চারা মাছ কিনে দ্রুত প্রস্থান।
Comments
Post a Comment