Skip to main content

Posts

অবসর

এ যে শুধুই অবসর! ------------------------- আজ ঘড়ির কাটায় সময় নেই সচল আর, নেই, নেই যে নতুন কোনো ঘটনার বিবরণ; বন্ধু নেই,কর্ম নেই, আপনজনও কেহ নেই, গতিহীন জীবনে নেই আর গতির দরকার।

কোর্টের মতে রসগোল্লা বাংলার

রসগোল্লা নিয়ে কের্টের মত 14th Nov, 2017 গোল্লায় যেতে  ছিলনা বাকি রসগোল্লায় তো ছিল। জগন্নাথের দেশ থেকে এসে তাও কেড়ে নিল?! গেলাম আমি কোর্টে নিয়ে, প্রমাণ হল অপরাধ। গর্বিত আমি পুনরায় আজ, ফিরিয়েছি রসগোল্লার স্বাদ!

जीना

जीना है अगर तो मेरी ही तरह जीओ, छोड़ उम्मीदों को  असलियत पे आओ। जीया ज़िन्दगी हमने कभी उम्मीदें सम्हाल, मर मर के हर दिन रहें हमे हरदम बदहाल। जी रहा हूं बेपरवाह आज मजबूर ही होकर, मस्त लगती है ज़िन्दगी कुछ ऐसे ही जीकर।

ভাগাড়ের মাংস খাবারের প্লেটে

ভাগাড়ের মাংস খাবারের প্লেটে -  সিতাংশু বিকাশ রে করে রোজ পূজা কোলকাতাবাসী দেয় ফুল কিনে বাজার থেকে- খরচে টাকা  রাশি কে রাশি। পেট পূজা যে বড় পূজা থাকেনা মনে সে কথা; নেই কোনো আচার-বিচার, পেট পূজা তার বড়ই সোজা। কি না খায় কোলকাতাবাসী- মাছ খায় মাংস খায় খাক ভাল কথা, কলাগাছ,নিমপাতা,কচুর ডাঁটা'ও খায়  মায়, পায় যত লতা-পাতা তাজা-বাসি। খ্যাপা ছাড়েনি মড়া পচা ভাগাড়ের যত জন্তুর  কেটে কুচি কুচি করে দেওয়া মাংসের রান্না, কারণ সে ভেজিটারিয়ান নয়- শুধু নিরেমিষে পেয়ে যায় কান্না। বিকোয় কোথাও বিরিয়ানি 'দাদা-বৌদির' নামে কোথাও বা 'খা-শালা-যত-পাবি' কমে; চিকেন মাটন সব রকম যত বিকোয় পড়েযায় কম- হলেই হল বিরিয়ানি কিংবা কারি শুধু খেয়ে যাও যত পাও সস্তা দামে! চাল কি?মাংস কি? চুলো'টা কোথাকার? নেই প্রশ্ন মনে, উত্তর'ও নেই দরকার- কত রকমের মাংসের খাবার চিকেন মাটন বিরিয়ানি কারি খায় সুখে হাসি মুখে কাড়ি কাড়ি  মনে মনে একদম নির্বিকার! স্টলে স্টলে চলে যত বিরিয়ানি কারি খাওয়া; ঢুকু ঢুকু পেটে পড়ে দাওয়া- ব্যস বিন্দাস আছে!!

যাত্রা শেষে

-  সিতাংশু বিকাশ রে আসে যৌবন, নিয়ে উদ্যম অফুরান ; জীবন-সংগ্রামে ব্যয় হয়ে যায় শক্তির সিংহভাগ। ব্যস্ততায় কেটে যায় নিয়ে বন্ধু,মা,বাবা,ভাই,বোন, আর নিয়ে প্রেম। দিনগুলো যায় সংসার, সংস্কার ,সংস্কৃতি রক্ষার চরম ব্যস্ততায়- ক্রমান্বয়ে জীবনের স্ফুলিঙ্গ সব শূন্যে মিশেযায়। জমে ওঠে মনের অনধিগম্য কোনো এক কোণে- স্মৃতির জীবাশ্ম। ন্যুব্জ দেহ বয় বয়সের ভার,শূন্য হয় সামর্থ্যের কোষাগার। বৃদ্ধি পায় সময়ের অনিঃশেষ সঞ্চয়। দিকে-দিকে চলতে থাকে জীবনের দৌড় ছুটছে সবাই, শিশু হতে প্রৌঢ়- নেই কারও ক্ষণিকের সময়। দিন শেষ হয়ে আসে কালের পঞ্জিকায়, একে একে বিদায় নিয়ে চলে বন্ধু,আপনজন- বিদায় নেয় জীবনসঙ্গীও। একাকীত্ব ধীর পদে এদিক সেদিক খুঁজেবেড়ায়, যদি কারো দেখা পাওয়া যায়, দেয় যদি কেউ একটু সময়। যদি দেখা কারো পায়, সহসা সে হাঁটা দেয় দ্রুত পায়ে। দেখে বয়স-ভার, বুঝি ভয় হয় তার- কত কথা শুনতে হয়,না জানি কতক্ষণ, রাখতে একাকী মন। জীবনের অস্তাচলে সব শেষ হয়ে চলে। চলে যায় কাছের মানুষ,বন্ধু,ব্যস্ততা,সব। দূরে সরে যায় সমাজ; সমাপ্ত হয় সকলের সকল প্রত্যাশা। পড়ে থাকে দেহ মনের অধিকারী এক নিস্পৃহ মৃত্তিক...

অবসরোত্তর আবোলতাবোল

-  সিতাংশু বিকাশ রে করেছি ছুটোছুটি প্রান্ত থেকে প্রান্ত, কত কাজ আর কথোপকথন, অবশেষে অবসর প্রাপ্ত এখন- আমি শ্রান্ত,হয়েছি পথ-ক্লান্ত। আমি বেঁধেছি বাড়ির কাছেই সীমা, হেঁটে পথ যত দূর শুধু তত দূর যাই, যান বাহনের আর প্রয়োজন নাই-  যাই না সিলচর-আইজল-কোহিমা। নেই অফিস নেই কাজ এত সব, ঘাসে শিশিরেই জগৎ পেয়েছি, কোলাহলের বদলে বেছে নিয়েছি- ঝোপে গাছে পাখিদের কলরব। "বাবা গেলি অনেক দূর, অনেক দেশ, পেলি অশ্বডিম্ব করে কাজ এত খেটে লাগে সেটা ঝোলে ঝালে না ওমলেটে- নাকি এটা ছাড়াই চলে যাবে তোর বেশ?" উত্তরটা অনুচ্চারিত'ই  রয়ে গেছে। চেষ্টা করছি অনেক বই'ও পড়েছি; গুণী জনেদের সঙ্গে কথা'ও বলেছি- উত্তরটা এখন'ও অধরাই হয়ে আছে আশা-আশঙ্কা'র দোলাচলে থাকি, জানিনা আমি সেই দিনক্ষণ, দূরের শেষ যাত্রা হবে কখন, রয়ে গেল যেটা এখন'ও বাকি। হয়তো সব ধারণা'ই হবে ভুল প্রমাণ, জন্মেছি যখন মায়াময় মনুষ্য কুলে-   হবে, মোহ-মায়ার বন্ধন সব না ভুলে,   বটবৃক্ষে বাড়ির নিকট,শেষ অবস্থান।

অগ্রগতির নাম কোলকাতা

-  সিতাংশু বিকাশ রে রাস্তার কলের তলায়, মাস-বাথ হলেই চলে। চলেনা কেলকেশিয়ানের মাছ-ভাত না হলে।    মাল খেয়ে বাথটাবে পড়া- ও তো বড়লোকের মরা- পাকলে না পাকলে বেল ক্যালকেশিয়ানের কি? রেভোল্যুশান হল ভাই, ক্যালকাটা হল কলকাতা তাই ছিল ক্যালকেশিয়ান যারা , হল কলকাতান তারা- মাসবাথ আর মাছভাতেই দিন এখন'ও সারা। ক্যালকেশিয়া ভালই আছে- পাড়ার মধুর ঠেকটা কাছে। ভাঁড়ে চা কয়েকবার, বিড়ির টানে দিনপার- চাহিদা পায়জামা আর ফতুয়ার। কার্লমার্ক্স গুলে খাওয়া , 'মেসির' বাড়ি রোজ যাওয়া। ধমনীতে রাজনীতির প্রোগ্রেসিভ ধারা বংশগতির। কোলকাতা ! আজব শহর, মানুষের কত বহর! উতলা হয়ো নাকো, ধৈর্য্য ধরে থাকো। আছে ভাই আতেলকাতান ইংলিশে আড্ডা মাতান- হাবেভাবে 'হাসজারু'র মতন মিশ্র ভাষণ যখন তখন। আছে অনেক মাতালকাতান নর নারী সব সমান- বার নামক সুড়িখানায় সন্ধ্যা হলে ঢের পাওয়াযায়। বিশেষ তবে নতুন কাতান হুক্কাবারে রোজ যান- গন্ধ-তামাক কল্কি ভরা, সুখটানে সময় কাটান। মানব শ্রেষ্ঠ হে কোলকাতান! মহান লোকের ন্যায়ে,চেয়ে গুণগ্রাহী পানে, নয়নে প্রশান্তি,ওষ্ঠে স্মিত হাস- কাহাকে আশীর্বাদ করে কর ধন্য হে মহান? সুন...